<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Tales of Sydney &#8211; ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন</title>
	<atom:link href="https://mamoon.net/category/opinion/tales-of-sydney/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://mamoon.net</link>
	<description>mamoon.net</description>
	<lastBuildDate>Mon, 14 Sep 2026 04:03:06 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.2</generator>

<image>
	<url>https://mamoon.net/wp-content/uploads/2026/05/Logo-Mamoon-Vai-150x150.png</url>
	<title>Tales of Sydney &#8211; ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন</title>
	<link>https://mamoon.net</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইসলামিক মিউজিয়ামের স্বপ্নযাত্রা</title>
		<link>https://mamoon.net/opinion/909</link>
					<comments>https://mamoon.net/opinion/909#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admi@mamoo252]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 23:21:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Tales of Sydney]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mamoon.net/?p=909</guid>

					<description><![CDATA[গত ২৫ জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যায় সিডনির প্রায় দেড়  বছরের ঐতিহ্যবাহী Art Gallery of New South Wales-এর ঐতিহাসিক হলরুমে অনুষ্ঠিত হলো অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এক স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজন। জমকালো...]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গত ২৫ জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যায় সিডনির প্রায় দেড়  বছরের ঐতিহ্যবাহী <strong>Art Gallery of New South Wales</strong>-এর ঐতিহাসিক হলরুমে অনুষ্ঠিত হলো অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এক স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজন। জমকালো এই অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো উন্মোচন করা হলো <strong>Museum of Islamic Art Australia (MIAA)</strong>-এর বহুল প্রতীক্ষিত নকশা, যা ভবিষ্যতে শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য নয়, বরং সমগ্র অস্ট্রেলিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে।</p>
<p>এই আকনিক স্থাপনাটি গড়ে উঠবে সিডনির পশ্চিমাঞ্চলের গ্র্যানভিল এলাকায়, ব্যস্ত প্যারামাট্টা রোডের ৯৯ নম্বর ঠিকানায়। সংখ্যাটি নেহাত কাকতালীয় নয়,  ইসলামী ঐতিহ্যে আল্লাহর ৯৯টি নাম (আসমাউল হুসনা) এর সঙ্গে যেমন এর মিল আছে ।</p>
<p>মিউজিয়ামের স্থাপত্য নকশার দায়িত্বে আছে প্রখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ARM Architecture, যাদের হয়ে এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থপতি জশুয়া মরিন। এরাই মেলবোর্নের ফেডারেশন স্কয়ার, পার্থের WA Museum Boola Bardipসহ অসংখ্য আলোচিত প্রকল্পের নকশাকার।</p>
<p>মক্কার <strong>মসজিদুল হারাম</strong>, জেরুজালেমের <strong>মসজিদুল আকসা</strong>, ইস্তাম্বুল, সমরকন্দ, কর্ডোভা ও বিশ্বের অন্যান্য ঐতিহাসিক ইসলামি স্থাপত্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই নকশা। কাবাকে কেন্দ্র করে যেমন মসজিদুল হারামের বৃত্তাকার বিন্যাস, ঠিক তেমনই এক চক্রাকার কেন্দ্রীয় কাঠামোকে ঘিরে সাজানো হয়েছে মিউজিয়ামের লেআউট।</p>
<p>এই নকশা দেখে আমার চোখে ভেসে ওঠে কাতারের বিখ্যাত Museum of Islamic Art-এর কথা, যেটির নকশা করেছিলেন কিংবদন্তি স্থপতি আই. এম. পেই,  যিনি প্যারিসের লুভর জাদুঘরের কাচের পিরামিড এবং হংকংয়ের ব্যাংক অফ চায়না টাওয়ারের মতো বিশ্ববিখ্যাত স্থাপনার রূপকার।</p>
<p>সিডনির নতুন মিউজিয়ামটি যদিও সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র নকশার, তবুও এর দর্শন, জ্যামিতিক বিন্যাস এবং আলো-ছায়ার ব্যবহারে ইসলামি স্থাপত্যের চিরন্তন সৌন্দর্যের স্পষ্ট ছাপ রয়েছে।</p>
<p>অনেকেই হয়তো জানেন না, সিডনির এই মিউজিয়ামই কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম উদ্যোগ নয়। ২০১৪ সালে ভিক্টোরিয়ার <strong>Thornbury</strong> এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>Islamic Museum of Australia</strong>। তবে সিডনির এই নতুন মিউজিয়ামটি হবে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রথম এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ ইসলামিক শিল্প ও সভ্যতা বিষয়ক কেন্দ্র।</p>
<p>এই মিউজিয়ামের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রফেসর মেহমেত ওজাল্প, চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের Centre for Islamic Studies and Civilisation (CISAC)-এর প্রধান এবং Islamic Sciences and Research Academy (ISRA)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। । অনুষ্ঠানে তিনি আবেগঘন ভাষায় তুলে ধরেন প্রায় দুই দশকের সংগ্রামের ইতিহাস, কীভাবে অসংখ্য বাধা, অর্থসংগ্রহ, পরিকল্পনা ও মানুষের সমর্থনের মধ্য দিয়ে আজকের এই অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, ISRA থেকে ইসলামিক স্টাডিজের ওপর ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা যায় ,  অর্থাৎ ইসলামি শিক্ষা ও গবেষণার জন্য অস্ট্রেলিয়ার বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।</p>
<p>জানা গেছে, কাউন্সিলের সব ধরনের অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী বছরের জুলাই মাসে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। জমির মূল্যসহ পুরো প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় <strong>৩৪ মিলিয়ন ডলার</strong>। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থের প্রায় <strong>৮২ শতাংশ</strong> সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি অর্থ সরকারি অনুদান এবং সাধারণ মানুষের অনুদান থেকে সংগ্রহের আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত থ্রিডি প্রেজেন্টেশন থেকে তোলা কয়েকটি ছবি শেয়ার করলাম, যাতে ভবিষ্যৎ মিউজিয়ামটির সম্ভাব্য রূপ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।</p>
<p>তবে সততার সঙ্গে বলতে গেলে, এই বিশাল স্বপ্নের জন্য প্যারামাট্টা রোডের এই জায়গাটি কিছুটা সংকীর্ণ মনে হয়েছে। এই মিউজিয়ামটি কেবল মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যই নয়, বরং দেশি-বিদেশি পর্যটক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ অস্ট্রেলিয়ানদের জন্যও একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে। আর সিডনিতে মুসলিম জনসংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে দর্শনার্থীদের চলাচল, পার্কিংয়ের জায়গার সংকুলান এবং সম্প্রসারণের সুযোগ বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p>
<p>একটি মিউজিয়াম শুধু দর্শনীয় স্থাপনা নয়, বরং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি খোঁজার জায়গাও বটে। — কোলাহলপূর্ণ সড়কের ঠিক পাশে সীমিত পরিসরে সেই প্রশান্তি কতটা ধরা দেবে, সেই প্রশ্নটা থেকেই যায়।</p>
<p>একই বা সামান্য বেশি ব্যয়ে যদি সিডনির শহরতলিতে ৫–১০ একর খোলা জমির ওপর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যেত, তবে হয়তো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও বৃহৎ, প্রশস্ত ও নান্দনিক একটি সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স গড়ে তোলা সম্ভব হতো।</p>
<p>তারপরও সমালোচনার চেয়ে বড় সত্য হলো, স্বপ্ন দেখার সাহস। এমন একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগের সঙ্গে যারা যুক্ত থেকেছেন , তাঁদের প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।</p>
<p>হয়তো এটাই শেষ নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ায় ইসলামিক শিল্প, ইতিহাস ও সভ্যতাকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার এক দীর্ঘ যাত্রার কেবল শুরু।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mamoon.net/opinion/909/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিডনীর প্রথম নিউজ পোর্টাল ‘বাঙলা-সিডনী’র  সাফল্যের কুড়ি বছর</title>
		<link>https://mamoon.net/opinion/tales-of-sydney/906</link>
					<comments>https://mamoon.net/opinion/tales-of-sydney/906#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admi@mamoo252]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 23:12:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tales of Sydney]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mamoon.net/?p=906</guid>

					<description><![CDATA[আজ বাঙলা-সিডনীর অগ্রযাত্রার দুই দশক পূর্ণ হল।  একুশতম জন্মদিনে বাংলা-সিডনীকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন। ২০০৩ সালের ১২ই মার্চ অর্ন্তজালে বাংলা-সিডনী নামে যে পোর্টাল শিশু ভূমিষ্টি হয়েছিল তা আজ কুড়ি বছরের দুরন্ত...]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আজ বাঙলা-সিডনীর অগ্রযাত্রার দুই দশক পূর্ণ হল।  একুশতম জন্মদিনে বাংলা-সিডনীকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন। ২০০৩ সালের ১২ই মার্চ অর্ন্তজালে বাংলা-সিডনী নামে যে পোর্টাল শিশু ভূমিষ্টি হয়েছিল তা আজ কুড়ি বছরের দুরন্ত যুবক। আমি খুব ভাগ্যবান যে একজন পাঠক হিসাবে বাংলা-সিডনীর শৈশব থেকে যৌবনে বেড়ে উঠা যেমন দেখেছি, তেমনি একজন লেখক হিসাবেও এই ডিজিটাল পত্রিকার সাথী হতে পেরেছি। বিভিন্ন সময়ে অনিয়িমিতভাবে লেখা ছাড়াও আমার কাতার প্রবাসী জীবনের দিনলিপি ধারাবাহিকভাবে বাংলা-সিডনীর পাতায় তুলে ধরেছি, যা পাঠক সমাদৃত হয়েছে। জীবন ও জীবিকার টানে প্রায় একযুগ অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে প্রবাসে থাকলেও দ্বিতীয় বাসভূমি সিডনীর সাথে আমার নাড়ীর বন্ধন অটুট রেখেছে এই বাংলা-সিডনী।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ইদানিং অর্ন্তজালে ও ফেসবুকের পাতায় বেশ কিছু সিডনী ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল চোখে পড়ে। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন কয়েকটি কমিউনিটি রেডিও, মাসিক পত্রিকা ও প্রয়াত নুরুল আজাদের প্রতিষ্ঠিত “স্বদেশ বার্তা” পত্রিকা ছাড়া অর্ন্তজাল-ভিত্তিক কোনো নিউজ পোর্টাল ছিলনা। নব্বই দশকের প্রথম দিকে ম্যারিকভিলস্থ 2RSR FM88.9 কমিউনিটি রেডিও স্টেশন থেকে “তরঙ্গ মালা” নামে একটি বাংলা অনুষ্ঠান আমি চালু করি। তবে কমিউনিটি রেডিওর সমস্যা হচ্ছে সম্প্রচারের পরিসর সীমিত হওয়ায় সিডনীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাঙালি স্রোতারা রেডিওতে প্রচারিত অনুষ্ঠানমালা শুনতে পেতেন না। কমিউনিটির খবরা-খবর জানার জন্য সবাইকে কখন পত্রিকা বেরুবে সেই অপেক্ষায় থাকতে হত। তাই অর্ন্তজালে বাঙলা-সিডনীর আগমন সবার জন্য বয়ে এনেছিল আনন্দের বার্তা ও স্বস্তি। প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি বাংলা-সিডনী একটি নতুন ধারা তৈরী করেছিল। যা খুব কম সময়ের মধ্যে প্রানবন্ত ও পাঠক প্রিয় এক অনলাইন পোর্টাল হয়ে ওঠে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বাংলা-সিডনীর অন্যতম কৃতিত্ব হচ্ছে নতুনদের লেখার সুযোগ তৈরী কর দেয়া। প্রতিভা রয়েছে অথচ কখনো পত্রিকায় লিখার সাহস করেননি এমন বহু লেখকদের জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছে বাংলা-সিডনী, যা সত্যিই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>যার হাত ধরে বাংলা-সিডনীর যাত্রা, তিনি হলেন আনিসুর রহমান। পেশায় আইটি বিশেষজ্ঞ। দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা সিডনী মর্নিং হেরাল্ডে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার মূলমন্ত্র বুকে ধারণ না করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে নিউজ মিডিয়ার কাজ করলেই কেউ সাংবাদিক হয়ে উঠতে পারেন না। তবে আনিসুর রহমান হলেন একজন ব্যাতিক্রম। পেশাদার সাংবাদিক না হয়েও সংবাদ পরিবেশনে তাঁর সততা, বন্তুনিষ্ঠতা ও দায়বদ্ধতা বহু প্রতিষ্ঠিত পেশাদার সাংবাদিকদেরও হার মানিয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নব্বই দশকের শেষের দিকের কথা। প্রকৌশল পেশার পাশাপাশি আমি এসবিএস রেডিওর বাংলা অনুষ্ঠানের একজন সাংবাদিক হিসাবে যোগদান করি। বাঙালি কমিউনিটিতে বাঙলা-সিডনীর জনপ্রিয়তা তখন তুঙ্গে। একবার সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য সম্পাদক আনিসুর রহমানকে এসবিএস রেডিওর  স্টিুডিওতে আমন্ত্রণ জানাই। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে তাঁর নিউজ পোর্টালের জনপ্রিয়তার কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, ”আমার পোর্টালে সিডনীর বাঙালি কমিউনিটির খবর, ও স্থানীয় লেখকদের লেখাই প্রাধান্য পায়। দেশ-বিদেশের খবর জানার জন্য অর্ন্তজালে তো রয়েছে হাজারো পোর্টাল। আর সাথে মতের অমিল কিংবা ব্যাক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কখনোই সম্পাদক হিসাবে আমাকে প্রভাবিত করেনা”। বাঙলা-সিডনীর জন্য কাজ করতে গিয়ে আনিসুর রহমানকে অনেক প্রতিবন্ধকতারও মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে তিনি হার মানেননি। অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও সততা সাথে কাজ করে তিনি বাংলা-সিডনীকে পাঠকদের ভালোলাগার কাছাকাছি নিয়ে গেছেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আনিসুর রহমান হলেন ওয়ান ম্যান ব্যান্ড। ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ম্যানেজম্যান্ট, সম্পাদনা, কমিউনিটির কর্মকান্ডের সংবাদ পরিবেশন ইত্যাদি সবকিছুই করেন এক হাতে। এছাড়া সময় সময় কমিউনিটির অনুষ্ঠানগুলোর ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে পোর্টালে প্রকাশ করেন।  সংসার, চাকুরি, সবকিছু সামলে  একজন মানুষ এতোকিছু কিভাবে করেন, জানিনা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>একজন লেখকের পরম নির্ভরতার জায়গা হচ্ছে বাংলা-সিডনী ও আনিসুর রহমান। বাংলা সিডনীতে দেয়া প্রতিটি লেখা আনিসুর রহমান খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েন। কোনো কিছুই তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়িয়ে যায়না।  বানান ভুল, লেখায় বাক্য গঠনে অসামঞ্জস্যতা কিংবা তথ্যগত কোনো ত্রুটি থাকলে তিনি সাথে সাথে লেখকের সাথে যোগাযোগ করে তা শুধরে নেন। অথচ এ ধরণের অনেক ভুল-ত্রুটির দায়ভার সম্পাদক চাইলে খুব সহজেই লেখকের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আনিসুর রহমান একজন সজ্জন, উদ্দমী আর সৃজনশীল ভাবনার মানুষ। সর্বপরি তিনি একজন সুলেখকও বটে।  তাঁর লেখার বৈশিষ্ট হচ্ছে তিনি খুব অল্প কথায়, সহজ সরল কথার মালা দিয়ে সাজিয়ে নিজের ভাবনাগুলোকে তুলে ধরতে পারেন। সময়ের অভাবে উনি নিজের পোর্টালে নিয়মিত লিখতে পারেন না। তবে যা লিখেন তা খুব সহজেই পাঠকদের হুদয় ছুঁয়ে যায়।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মহাবিশ্বতত্ত্ব, কৃষ্ণগহ্বর, গ্যালাক্সি ইত্যাদি নিয়ে আমার উৎসুক্যের শেষ নেই। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় আমি সময় সময় লেখা-লেখিও করে থাকি। একদিন আনিসুর রহমানের সাথে আলাপ করতে গিয়ে জানতে পারি একই বিষয়গুলো নিয়ে তাঁর কৌতুহলের কথা। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা, কোয়ান্টাম তত্ত্ব, নভোবস্তুবিদ্যা নিয়ে তিনি নিয়মিত পড়াশুনা করেন এবং এসব বিষয়ে পরিস্কার ধারণাও রাখেন। আনিসুর রহমানের বাড়ীর বারান্দায় আবার রয়েছে একটি টেলিস্কোপ। যা দিয়ে তিনি নিয়মিত আকাশ পর্যবেক্ষণ করেন, গভীর রাতে আকাশের উঠোনে লুকিয়ে থাকা নক্ষত্রমালা ও গ্যালাক্সি খুঁজে বেড়ান।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বাঙলা-সিডনী কেবল একটি নিউজ পোর্টালই নয়, এ হচ্ছে সিডনীর বাঙালি কমিউনিটির টাইম কেপসুল। বাংলা-সিডনীর আর্কাইভের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে সিডনীর বাঙালি কমিউনিটির কর্মযজ্ঞ ও সুখ:দুখের সাত কাহন। তাই বাংলা-সিডনী চালু রাখা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায় শুধু একজন আনিসুর রহমানের নয়, আমাদের সবার।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>কুড়ি বছর পেরিয়ে এসে বাঙলা-সিডনী আজও তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখে এগিয়ে চলেছে।  বাঙলা-সিডনীর পথচলা প্রবহমান ও  নিষ্কণ্টক হোক এই প্রত্যাশা ও শুভ কামনা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mamoon.net/opinion/tales-of-sydney/906/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
