অবশেষে মুখোশ খুলে পড়লো তোমার।
মোটা মার্কিন কাপড়ের নীচে লুকিয়ে রাখা
শরীরের ঘা উন্মোচিত হল।
কারুকাজ করা টেকসই মুখোশ
অবশেষে খুলে ফেললে তুমি।
১৫ই আগস্টের মধ্যরাতে খন্দকার মোস্তাক যেমন
ছুঁড়ে দিয়েছিল বিশ্বাসের মুখোশ আস্তাকুঁড়ে।
সত্যের মুখোমুখি হতে ভয় পাও তুমি।
নিয়নের আলোতে ঘর্মাক্ত হয় তোমার শরীর; অথচ
রাত আসলেই চক্-চক্ করে ওঠে তোমার চোখ;
যেন পারঅক্সাইডে লেখা সাইনপোস্ট।
দু’হাত বাড়িয়ে দিলে এক হাত বাড়াও তুমি;
অন্য হাতে লুকিয়ে রাখো ধারাল চাকু।
সুযোগ বুঝে পশ্চাতে হানো আঘাত
যেনো মোসাদ এর চতুর এজেন্ট। ক্ষমতার জন্য
একে-একে জবাই করে চল নিরীহ মোরগ;
যেনো খুনের নেশায় মত্ত ক্ষ্যাপা কসাই।
নিজের পাপ আয়নায় দে
খো না তুমি।
তোমার পাপ ফণীমনসার কাঁটার মত জন্ম নিচ্ছে প্রতিদিন।
মিথ্যাচারের হরমোন পেয়ে তোমার পাপ
দীর্ঘকায় হতে-হতে অকস্মাৎ হয়ে যাচ্ছে
প্রাগৈতিহাসিক কোনো জানোয়ার। তবুও
নিজেকে মনে করছো তুমি পূণ্যবান হযরত কিংবা
বিশুদ্ধ সুরমা চোখে দেয়া নেকবান্দা আলী হিকমত।
কি এক অদ্ভুত কষ্টের বোরখায় ঢেকে আছে
আমার আপাদমস্তক। ক্রমাগত রক্তক্ষরণে লাল হৃৎপিণ্ড
হয়ে গেছে ফ্যাকাশে কাফন।
তবুও হায়নার মত চড়াও হয়নি কারো শিরদাঁড়ায়;
পলপটের মত সহযোগী কমরেডের পেছনে
লেলিয়ে দেইনি ঘাতক দালাল।
জাতিসংঘের মত আরোপ করিনি কোনো নিষেধাজ্ঞা।
নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে জনপদ অথচ
পত্র-পত্রিকা কিংবা সভা-সমিতিতে
পাঠাইনি কোন শোকবাণী।
গভীর রাতে স্ত্রীর অগোচরে
ছাদে বসে কাঁদতে চেষ্টা করিনি কখনো।
যাবতীয় ক্রোধ মুছে ফেলে যীশুর মত
নির্বিবাদে তুলে নিয়েছি কাঁধে রক্তাক্ত ক্রুশ।
যীশুকে হত্যা করে অসুর শক্তি কখনো জয়ী হতে পারেনি।
সীমারেরা কখনোই জয়ী হতে পারে না।
সুবিধাজীবিদের চরিত্র কখনো বদলায় না।
ওরা যে উচ্ছিষ্ট খেয়েই থাকে বেঁচে।
Leave a comment
