প্রথম আলো: প্রায় চার দশক পর আবার ফিরলেন সংগীত জীবনে। এবার আসলেন শিল্পী হয়ে। কেমন লাগছে?

মামুন: সত্যি বলতে কি, সে এক অন্য ধরনের অনুভ’তি। মনে হচ্ছে আমার এতাদিনের স্বপ্ন পূরণ হবার প্রথম ধাপে পা রাখলাম মাত্র। স্রোতারা যদি আমাকে গায়ক হিসাবে গ্রহন করে, আমার গান ভালোবাসে তাহলেই সেই স্বপ্ন পূর্ণতা পাবে। প্রবাসে চলে গেলেও গানকে ভোলা হয়নি। নিয়মিত সঙ্গীত চর্চা চালিয়ে গেছি। অষ্ট্রেলিয়ার সিডনী শহরে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিয়েছি। অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য শহরেও একক সঙ্গীতানুষ্ঠান করেছি। সিডনী শহরে একজন প্রকৌশলীর চেয়ে কন্ঠশিল্পী হিসাবেই আমার বেশি পরিচিত গড়ে ওঠে। এজন ভালো গজল শিল্পী হিসাবেও আমার বিশেষ পরিচিত আছে।

আসলে একজন পরিপূর্ণ সঙ্গীত শিল্পী হতে হলে গান রচনা, সুর একং কন্ঠ এই তিনটি শাখাতেই সমান দক্ষতা দরকার। তবে অনেক শিল্পী একটি বিশেষ শাখাতেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছিন। যেমন শ্রদ্ধেয় গাজী মাজহারু আনোয়ারকে আমরা একজন কিংবদন্তি গীতিকার হিসাবেই জানি। যেমন জানি আলী হোসেন এবং আলম খানতে সুরকার হিসাবে। কিন্তু অনেক শিল্পীই নিজে গান লিখে তাতে সুর দিয়ে স্বকন্ঠে পরিবেশন করেন। যেমন কুমার বিশ^জিৎ মূলত কন্ঠ শিল্পী হলেও সুরকার হিসাবেও জাতীয় পুরস্কার পেয়েছ। নিজের গান নিজেই পরবেশন করার একটা অদম্য ইচ্ছে আমার ছিল। সেই ইচ্ছে থেকেই এই এলবামের কাজে হাত দেই। যদিও এই এলবামে নিজের লেখা কোনো গান নেই আগামীতে নিজের লেখা পরিবশেন করার ইচ্ছে আছে।

সত্তুর দশকে আমার লেখা বেশ ক’টি গানের জন্য মধ্য দিয়ে প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের সঙ্গীত ভ’বনের সাথে আমার এক ধরনের অদৃশ্য সেতুবন্ধন রচিত হয়েছে। আমার নাম বাংলাদেশের সঙ্গীতপ্রেমী মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হলেও, রক্ত মাংসের আব্দুল্লাহ আল মামুন বরারবই নেপথ্যে থেকে গেছে। কিন্তু অতীত থেকে বেরিয়ে এসে নিজের এলবাম নিয়ে এবার দেশে গিয়ে মানুষের যে ভালোবাসা পেলাম তা আমাকে ভীষণ অনুপ্রানিত করেছে। যেখানেই গিয়েছি সবার উচ্ছ্বসিত সাড়া পেয়েছি। আমার গানে আবার ফিরে আসাকে সবাই স্বাগত জানিয়েছেন। ভালো কাজ সবাই মনে রাখে। আমার বিশ^াস, সবার ভালোবাসা নিয়ে আমি আবার এগিয়ে যেতে পারবো।

প্রথম আলো: আপনি বেশ কয়েকটি গান লিখেছেন যা আজও শ্রোতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। মাত্র কয়েকটি গান লিখলেন। এরপর কেন বন্ধ করে দিলেন?
প্রথম আলো: এই গান লেখার পরও অনেক দিন তো দেশে ছিলেন। আর লিখেননি কেন?

মামুনঃ দেখুন, আমি কখনো গীতিকার হিসাবে গান লিখিনি। একজন গীতিকার হবার কথা ভাবিনি। মাত্র গুটিকয়েক যে গান রচনা করছি তা নিতান্ত তরুন বয়সে। আমি তখন ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। তখন সঙ্গীতকে পেশা হিসাবে নেয়ার কথা কখনো মাথায় আসেনি। কারণ তখন ডাক্তারী কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং, এ দুটো পেশাই ছিলো জীবকিা নির্বাহের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় পেশা। পরিবারে ডাক্তারের আধিক্য থাকায় প্রকৌশল পেশাকেই তখন বেছে নেই।
প্রকৌশল পড়াশোনায় ডুবে গিয়ে কাব্য র্চ্চা থেকে নিজের অজান্তেই দুরে সরে আসি। রেজাল্ট ভালো করে, শিক্ষক হিসাবে পেশাজীবন শুরু করি। উচ্চ শিক্ষার আকাংখাটাই তখন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। গীতিকাব্য রচনা আমার কাছে গৌন হয়ে পড়ে। এভাবেই সঙ্গীত জগত থেকে নিরুদ্দেশের পথে আমার যাত্রা শুরু হয়। আর গান লেখা হয়নি। প্রকৌশল পড়ার সময় সঙ্গীত জগতের বন্ধুদের সাথে একটা দুরত্ব তৈরী হয়। আমি নিজেকে নিজের মধ্যে গুটিয়ে রাখি। ওদের কাছাকাছি থাকলে হয়তো গান লেখাটা এভাবে বন্ধ হয়ে যেতোনা।

প্রথম আলো: আপনার প্রথম লেখা গান ‘তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে’ লেখার প্রেক্ষিত বলবেন কি?

মামুনঃ সত্তর দশকের শেষের দিকের কথা। আমি চট্টগ্রাম কলেজে ইন্টামিডিয়েটের ছাত্র। তখন ফেসবুক, মোবাইল ফোন কিংবা ইউটিউব আসেনি। ওই সময় আমাদের মতো তরুণরা খেলাধুলা কিংবা কবিতা, গান ইত্যাদি নিয়েই মেতে থাকতাম। পত্রিকায় একটা কবিতা ছাপা হলে নিজেকে বিশ^জয়ী আলেকজান্ডার মনে হতো। এছাড়া জাতীয় দিবস সহ বিশেষ বিশেষ দিনে কবিতার বই কিংবা স্মারক ম্যাগাজিন বের করার জন্য বন্ধুদের সাথে নিয়ে হন্য হয়ে ঘুরতাম। কলেজে তখন ছড়া এবং অণু-কবিতা লিখে মোটামুটি নাম করেছিলাম। ফলে আবৃত্তির আসর কিংবা লিটল ম্যাগাজিনে কবিতা দেয়ার জন্য ডাক আসতো। আমার সহপাঠি ছিলো আজকের লিজেন্ড মিউজিসিয়ান নকীব খান। ওর সাথে সোলসের অন্যান্য বন্ধুদের সাথেও আড্ডা হতো। আমি কিছু লিখলে সহপাঠি বন্ধু নকীব খান সেটা দেখে বলতো, আমাকে দাও দেখি কি করা যায়। অনেকটা এভাবইে তোরো পুতুলের মতো করে সাজিয়ে গানটি তৈরী হয়।

তারুণ্যে উচ্ছ্বাস ভরা প্রেমময় কাব্যেরই গীতিরুপ হচ্ছে এই গান। নকীব খানের একটি ডায়রী ছিলো। ওই ডায়রীর পাতায় নকীবের সুর করা প্রতিটি গান অত্যন্ত যত্বের সাখে তারিখ সহ সে লিখে রাখতো। “তোওে পুতুলের মতো কওে সাজিয়ে” গানটি লেখা হয় ১৯৭৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী। সোল্স তখনো খ্যাতির আলো দেখেনি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে, হোটেলে প্রচলিত বাংলা ফোক, পপ, ও ইংরেজী গান পরিবেশন করতো। পরবর্তীতে সোল্স নকীব খানের কম্পোজিশনে মৌলিক বাংলা গান ধীরে ধীরে পরিবেশন করতে শুরু করে। মেলাডী নির্ভর ভিন্ন ধারার পপ গান গুলো স্রেতাদেও ভীষণ আলোগিত করে। এ প্রসঙ্গে নকীব খানের বড় ভাই শ্রদ্ধেয় জিলু খানের কখা উল্লেখ করতে হয়। তিনি হলেন একজন অসাধারন কম্পোজার। সোলসের প্রথম দিককার অনেক গান তার সুর করা। অবশেষে ১৯৮০ সালে বের হয় সোলসের প্রথম বানিজ্যক অডিও ক্যাসেট “সুপার সোল্স ঃ ১। ওই ক্যাসেটে আমার লেখা তিনটি গান স্থান পায় – তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে, মুখরিত জীবন, ও ভুলো গেছো তুমি। এই অডিও এলবাম তাৎক্ষণিকভাবে সুপার হিট হয়ে যায়। এর পরেরটুকু এখন ইতিহাস। লক্ষণীয়, এই তিনটি গান একই বছর অর্থাৎ ১৯৭৭ সালে কয়েক মাসের ব্যবধানে লেখা। যেমন মুখরিত জীবন আগস্টের ২৪ আর ভুলে গেছো তুমি দু’মাস পর অর্র্থাৎ নভেম্বরের ৩০ তারিখ লেখা হয়েছে।

 

প্রথম আলো: প্রায় চার দশক পর কীভাবে শিল্পী হওয়ার আর একক অ্যালবাম বের করার কাজ শুরু করলেন?

মামুনঃ মাঝে মাঝে মনে হতো বড্ড দেরী হয়ে গেলো, ফিরে আসার পথ হয়েতো বন্ধ হয়ে গেছে। সত্যি বলতেকি স্বপ্ন পূরণের কোনো সীমা নেই। বুকের মধ্যে যদি শিল্পের ভুবন থাকে তা ধূসর হয়ে গেলেও চিরতরে কখ্খনো হারিয়ে যায়না। প্রবাসের নিভৃতে সেই শিল্পের ভুবনকে আমি লালন করেছি, ধারন করেছি বুকের মধ্যে, ভ্রমন করেছি সেই স্বপ্নের ভ’বনে। যার ফলশ্রুতি হল আমার এই অ্যালবাম “তোমার জন্য”।

মূলতঃ এজন সফল গীতিকার হিসাবেই আমার প্রতি সবার আগ্রহ কেন্দ্রিভ’ত ছিল। তাই প্রথমে ভাবলাম নিজের লেখা গান দিয়েই এলবাম তৈরী করবো । কিন্তু নিজের কন্ঠের প্রথম এলবাম করছি, তাই কন্ঠ চর্চা এবং গায়কীতে যাতে পুর্ণ মনোযোগ দিতে পারি সেজন্যই নিজের লেখা কোনো গান কিংবা সুর করা গান প্রথম এলবামে সংযোজন করিনি। প্রবাসে বসে একটি অ্যালবাম তৈরীর কাজ করা সহজ নয়। গাতিকার, সুরকার, যন্ত্রীদের সাথে সমন্বয় করে, ভালো একটি ষ্টুওিতে রেকর্ডিং ও মিক্সং করে তবেই প্রকাশ করতে হয় অ্যাললবাম। তাছাড়া একটি সফল এলবামের পেছনে একটি ভালো প্রডাকশন হাইউজের ভ’মিকা থাকে অনেক। আমার অ্যালবাম করার নেপথ্যেও মূল উদ্দেশ্য ছিল স্রোতাদের ভালো কিছু উপহার দেয়া। তাই গানের মিউজিক তৈরী করার সময় আমি কোনো রকমের সমঝোতা করিনি। আমার অ্যালবামের মিউজিক ট্রাকে তৈলা করার সময় কোনো ধরনের মেশিন মিউজিক ব্যবহার করা হয়নি। প্রতিটি বাদ্য যন্ত্র ষ্টুডিওতে লাইভ রেকির্ডং করা হয়েছে। মিউজিক ট্রাক এবং ভোকাল দুটোই রেকর্র্ডিং করা হয়েছে কলকাতায়। খ্যাতিমান বাদ্যযন্ত্র শিল্পীরা কাজ করেছেন এই অ্যালবামে। যেমন তবলায় ছিলেন উদয় মাকার্জী, সেতারে রাহুল ব্যানার্জি, বাঁশীতে সুবীর রায়, সেক্সোফোনে শওকত খান প্রমুখ। “তোমার জন্য” অ্যালবামের কাজ পুরোপুরি শেষ করতে প্রায় দু’বছর রেগেে যায়।

প্রথম আলোঃ দেশের প্রবীণ ও বিখ্যাত সুরকার শেখ সাদি খান, আলী হোসেন, অনুপ ভট্টাচার্য আর শিল্পী সুরকার লাখি আখন্দ। আবার গান লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, আলম খান, মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান, বাকীউল আলম, মেজর শওকত ও এ কে এম আতিকুর রহমানের মতো গীতিকার। কীভাবে এঁদের সবাইকে আপনার অ্যালবামে এক করলেন?

মামুনঃ
সময়ের সাথে সঙ্গীতের ধারা, স্রোতাদের রুচি, জীবনধারার পরিবর্তন হচ্ছে। তরুণদের মধ্যে এখন ফিউসন মিউজিকের জোয়ার বইছে। তবে যে ধারারই গান হোক না কেনো, বাংলা গানের মূলভিত্তি হল মেলোডি। মেলোডির আবেদন কখনো ফুরোবার নয়। তাইতো সত্তুর দশকে সোলসের জন্য আমার লেখা মেলাডি নির্ভর গানগুলো এই প্রজন্মের মুখেও এখন শোনা যাচ্ছে। নিটোল মেলোডি নির্ভর গান বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষদের কাছে পৌছানো এবং বাংলা গান যাতে অকৃত্রিমতা থেকে বিচ্যুত না হয়, তার জন্য সচেতন করাটাই আমার নতুন অ্যালবামের উদ্দেশ্য।

স্বাধীনতা-উত্তর যে ক’জন কিংবদন্তি সঙ্গীতজ্ঞ বাংলাদেশের আধুনিক সঙ্গীত জগতে বাংলা আধুনিক গানের নতুন জাগরণের সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের হাত ধরেই নির্মিত হয়েছে আমার অ্যালবামের গানগুলো। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে তারা আন্তরিকার সাথে কাজ করেছেন। এ ছিল আমার জন্য বিশাল পাওয়া।

আধুনিক, ফোক, ও সেমি-ক্লাসিক্যাল সহ বিভিন্ন ধারার আটটি গান রয়েছে আমার অ্যালবামে। এতে রয়েছে লাকী আখন্দের সুরে মোলাডি নির্ভর সেমি-ক্লাসিক্যাল আমেজের গান “মিথ্যে অভিমানে”। কলেজ জীবনে যখন ব্যান্ড সঙ্গীত করছি তখন তিনিই ছিলেন আমাদের আইডল। অনেক যত্ন করে লাকী ভাই গান দুটোর সুর বেঁধেছেন। ইতিমধ্যে তিনটি গানের মিউজিক ভিডিও কাজ শেষ করেছি। দেশের জনপ্রিয় মডেল, অভিনেতা/অভিনেত্রীদের অংশ গ্রহনে প্রবাসে এবং দেশের মনোরম লোকেশনে মিউজিক ভিডিওর চিত্রায়ন করা হয়েছে। প্রতিটি মিউজিক ভিডিওতে রয়েছে একটি হৃদয় ছোঁয়া গল্প, যা আমার দৃঢ় বিশ^াস, দর্শক-স্রোতাদের আকর্ষণ করবে। দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে মিউিজিক ভিডিওগুলো প্রদর্শিত হয়েছে। ইতিমধে “মিথ্যে অভিমানে” গানটি জননন্দিত হয়েছে।

চেষ্টা করেছি ভালো কিছু দিতে। আমার গানগুলে স্রোতাদের ভালো লাগলেই আমার প্রচেষ্টা সার্র্থক হবে বলে মনে করবো।

প্রথম আলোঃ আপনার পরবর্তী এলবাম করে বেরুচ্ছে ?

মামুনঃ প্রথম অ্যালবামের অনেকটা সমান্তরালেই দ্বিতীয় এলবামের কাজ শুরু করেছি। এই এলবামে আমার লেখা ও সুর করা গান থাকবে। তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে, মুখরিত জীবনের সুরকার সুরকার নকীব খানের সাথে দীর্ঘদিন পরে আবার জুটি বেধে কয়েকটি গানে কাজ করছি। খুব সহসা একটা গান রিলিস দেয়ার ইচ্ছে আছে। আমি জানি, আমার গান নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তবে এতটুকু বলতে পারি গান শুনে তারা হতাশ হবেন না। আমার বিস্বাস, আগের মত. স্রেতারা আমার পাশে থাকবেন এবং আবারও তাদের ভালোবাসা ও শুভাশীষ পাবো।

প্রথম আলোঃ আপনার পেশয় একজন এজন প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন সামজিক কর্মকান্ডেও জড়িয়ে াাছেন এনিয়ে কিছুু বলুন

মামুনঃ আমি বর্র্তমানে কাজের তাগিদে অস্ট্রেলিয়া থেকে কাতারে এসেছি।। কাতারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অবকাঠামোবিষয়ক পরামর্শক হিসেবে কাজ করছি। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আবার সিডনী ফিরে যাবো। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং কর্মকান্ডে জড়িয়ে আছি। যেমন বর্তমানে আমি ইন্সটিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে কাতার শাখার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম কাতারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছি। কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন চট্টগ্রাম সমিতি এবং ফেন্ডশীপ ফোরামের সাথেও আছি। সময় পেলে বাংলাদেশের বিভিন্ন্ জাতীয় পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করি।