পশ্চিমবঙ্গের একজন বাঙালি বন্ধু সেদিন কথা প্রসঙ্গে বললেন, বাংলাদেশের বাঙালিদের জন্যই পৃথিবীর বুকে বাংলাভাষা এখনো টিকে আছে। পশ্চিম বাংলার বাঙালিরা বাঙালিয়ানা ঝেড়ে মুছে ফেলতে নিজেরাই কিভাবে উঠে পড়ে লেগেছেন সে নিয়ে তার কষ্টের কথাও বললেন। হিন্দি ও ইংরেজির দাপটে কলকাতায় বাংলাভাষা ক্ষত-বিক্ষত। বলিউড সঙ্গীত/চলচ্চিত্র, রবীন্দ্র সঙ্গীত ও সত্যজিতকে সরিয়ে দিয়ে বাঙালির হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। কলকাতার বিলবোর্ড ও সাইনবোর্ডে এখন দেখা যায় কেবল হিন্দি ও ইংরেজি। বাঙালিরা আসলে হিন্দির কাছে ভীষণ রকমের হীনম্মন্যতায় ভুগছে, বললেন আমার বন্ধুটি।
বন্ধুটির আক্ষেপ, পাকিস্তান আমলে আমার ছেলেবেলাকার কথা মনে করিয়ে দিল, যখন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা উর্দু ও পাঞ্জাবী সংস্কৃতির কাছে অনেকটা একই ধরনের হীনম্মন্যতায় ভুগছিলেন। উর্দু বাজারে কিভাবে সাফল্য পাওয়া যায় সেটাই ছিল বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতের শিল্পী, অভিনেতা ও কবি সাহিত্যিকদের প্রধান লক্ষ্য। খ্যাতিমান বাঙালি সুরকার আলাউদ্দিন আলী ও রবিন ঘোষ, অভিনয় শিল্পী রহমান, শবনম, সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা পশ্চিম পাকিস্তানের ললিউডেই পাড়ি জমিয়েছিলেন।
সাহিত্য অঙ্গনে জাতীয় কবি ইকবালকে নিয়েই ছিল মাতামাতি। মহান একুশের রক্তাক্ত সিঁড়ি বেয়ে যদি আমরা স্বাধীনতা না পেতাম, তাহলে শামসুর রহমান হয়তো লিখতেন না ‘স্বাধীনতা তুমি’র মতো কালজয়ী কবিতা আর জাতীয় কবির আসনে আমরা পেতাম না কবি নজরুলকে। আমাদের কবি সাহিত্যিকদের অনেকে হয়তো উর্দুতেই কাব্য রচনা করতেন। অভিনেতা মোহম্মদ আলী ও ওয়াহিদ মুরাদদের দাপটে আজকের নায়করাজ রাজ্জাক হয়তো একজন আঞ্চলিক অভিনেতা হিসাবেই পড়ে থাকতেন। আমি অন্য ভাষার সাহিত্য ও কবি সাহিত্যিকদের শ্রদ্ধা করি। রুমি, হাফিজ, গালিব, বাহাদুর শাহ জাফরের গজল আমার খুবই প্রিয়। আমি খলিল জীব্রান ও নাজিম হিকমতের কবিতাও পড়ি। কিন্তু কোনো কিছুই আমাদের আব্বাস উদ্দীন, আব্দুল আলীম, আল মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুনদের বাদ দিয়ে নয়।
উর্দু ভাষা আমাদের শত্রু ছিল না, এটি হল একটি অঞ্চলের ভাষা। কিন্তু আমাদের উপর তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকদের উর্দু চাপিয়ে দেয়াটা ছিল চরম অন্যায়। ১৯৪৮ সালের ২৩ মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে ঘোষণা দিলে সমগ্র হল নো নো ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। জিন্নাহর ধারণা ছিল যেসব মুসলিম পাকিস্তান চায় তাদের সবার ভাষা হল উর্দু। অথচ জিন্নাহ নিজেই ভালো করে উর্দুতে কথা বলতে পারতেন না এবং লিখতেও পারতেন না। জিন্নাহর মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি।
খাজা নাজিমুদ্দিনের মতো পূর্ব পাকিস্তানের যেসব নেতা জিন্নাহের কাছাকাছি ছিলেন তারা উর্দুতেই কথা বলতেন। বাঙালি জনগণের সত্যিকারের চাওয়া পাওয়ার সাথে ছিল না তাদের কোনো সম্পর্ক। খাজা নাজিমুদ্দীন ১৯৫২ সালের জানুয়ারিতে পল্টন ময়দানের এক জনসভায় ‘উর্দুই পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে’ ঘোষণা দিলে জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র শুরু হয় তীব্র প্রতিবাদের ঝড়। অবশেষে বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতিদানের দাবিতে একুশে ফেব্রুয়ারিতে কিছু অকুতোভয় যুবক রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে না দিলে আমাদের মুখের ভাষা হয়তো উর্দু হতো। আর ভাষার সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যেতো আমাদের জাতিসত্ত্বা।
বাংলা পৃথিবীর মধ্যে একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা। ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্বের সর্বত্র এখন শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশ, সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারের নাম। একুশ সৃষ্টি করেছে স্বতন্ত্র একটি দেশ, সংস্কৃতি ও জীবনবোধ। তাই একুশ হচ্ছে আমাদের অহংকার। আমাদের নতুন প্রজন্ম যাতে এই অহংকারে উজ্জীবিত হয়, নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি উদাসীন হয়ে না পড়ে সেজন্য আমাদের সচেষ্ট হতে হবে। এই প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকার জন্য ইংরেজি কিংবা অন্য ভাষা জানারও দরকার আছে। কিন্তু আমাদের সন্তানদের স্পষ্ট করে বলে দিতে হবে আগে বাংলা, তারপর অন্য কিছু।
বাংলাভাষার জন্য বায়ান্নতে আমরা জীবন দিলাম, উর্দুকে ঝেটিয়ে বিদায় করলাম। কিন্তু আজ হিন্দি ও বলিউডের প্রভাবে আমাদের ভাষা এবং সংস্কৃতি হুমকির মুখে। ঘরে ঘরে যেরকম হিন্দির আগ্রাসন চলছে, তা অত্যন্ত ভীতিকর। ভাষা নিয়ে ছেলেবেলাকার সেই হীনম্মন্যতা যেন আবার ফিরে এসেছে। আমাদের স্বকীয়তা হারিয়ে যাচ্ছে। লাহোরের বদলে আমরা এখন বোম্বের কাছেই মাথা নত করছি। পোশাকে, ফ্যাশনে, কথা বলার সময় শব্দচয়নেও দেখা যাচ্ছে ইংরেজি ও হিন্দি প্রীতি। নতুন প্রজন্মের কথাবার্তার মধ্যে দু’একটি হিন্দি শব্দ না থাকলেই যেন নয়। বিয়ে-শাদী, পারিবারিক অনুষ্ঠানে ‘হলুদ বাটো মেন্দি বাটোর’র বদলে এখন শোনা যায় ওড়নার পেছনে কি আছে, শাবা শাবা ইত্যাদি বলিউডী গান। এছাড়া রেডিওর উপস্থাপক ও তরুণ শিল্পীদের কন্ঠে শোনা যায় বাংলিশ ভাষার প্রয়োগ। শুধু বাইরের দোষ দিয়ে কি হবে? আমরাই তো লক্ষ টাকার বিনিময়ে মাথায় করে নিয়ে আসছি ভারতীয় শিল্পীদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপমহাদেশের জনপ্রিয় একটি ভাষা শিক্ষার কোর্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হতেই পারে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জনাব আরেফিন সিদ্দিকি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের হিন্দি ভাষা শেখা উচিত বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মেনে নেয়া মুশকিল। ভারতের ২৮টি প্রদেশের মধ্যে মাত্র ৯টি প্রাদেশিক সরকারি ভাষা হল হিন্দি। আমাদের সীমান্ত জুড়ে ভারতের যেসব প্রদেশ রয়েছে তাদের ভাষাও হিন্দি নয়। উর্দুর আধিপত্য মেনে নেইনি বলেই আমরা রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন করেছি। এখন ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কেন হিন্দি শিখতে হবে সেটা বোধগম্য হল না।
প্রবাসে বাংলা নাটক ও ধারাবাহিক দেখা হল আমার মতো অনেকেরই একমাত্র বিনোদন। কিন্তু বাংলাদেশে হিন্দি সিরিয়ালের জন্য যে ধরনের উন্মাদনার কথা শুনি, তা আমাকে বিস্মিত করে। উৎসুক্য মেটাতে আমি কয়েকটি হিন্দি সিরিয়ালের বেশ কিছু পর্ব দেখার পর বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, বাংলাদেশের নাটকের মান ওইসব সিরিয়ালের চেয়ে হাজারো গুণ ভালো। কিন্তু এরপরও হিন্দি অনুষ্ঠানের দিকে কেন আমাদের নতুন প্রজন্ম ও গৃহিনীরা আকৃষ্ট হচ্ছেন, ওদের অনুকরণ করছেন, তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। আমি মনে করি আমাদের টিভি ও অন্যান্য বিনোদন মাধ্যমকে এ নিয়ে ভাবতে হবে, না হলে আমাদের মায়ের ভাষা ও সংস্কৃতি একদিন হারিয়ে যাবে।
সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছেন, ‘কে কবে মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করে বড় হতে পেরেছে?’ নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি যাতে উদাসীন হয়ে না পড়ে সেজন্য আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই স্লোগানে উজ্জীবিত করতে হবে। জগতে টিকে থাকার জন্য ইংরেজি কিংবা অন্য ভাষারও দরকার আছে। কিন্তু আমাদের সন্তানদের স্পষ্ট করে বলে দিতে হবে আগে বাংলা, তারপর অন্য কিছু। আমরা অনেকেই ভাবি বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চা হয় না। কিন্তু দেখা গেছে আইনস্টাইন, মাদাম কুরীর মতো কিংবদন্তি বিজ্ঞানীদের প্রায় সব গবেষণা নিবন্ধ ছিল তাদের মাতৃভাষায় লেখা। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব¡ বিষয়ক প্রবন্ধটি প্রথম ইরেজিতে অনুবাদ করেন জগদ্বিখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন বসু ও তাঁর সহপাঠী বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। পরে তারা এটি বাংলাতেও অনুবাদ করেন।
আচার্য প্রফুল্ল রায়, জগদীশ চন্দ্র বসু ও সত্যেন বসুর মতো বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীরা মনেপ্রাণে চেয়েছেন দেশের মানুষ বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চা করুক। বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চার প্রসারের জন্য সত্যেন বসু ‘বিজ্ঞান পরিচয়’ নামে একটি পত্রিকাও প্রকাশ করতেন। তিনি বলতেন, ‘যাঁরা বলেন বাংলাভাষায় বিজ্ঞান হয় না, তাঁরা হয় বাংলা জানেন না, নয় বিজ্ঞান বোঝেন না।’
বাংলাভাষাকে বিশ্বের দরবারে ধরে রাখার জন্য আমরা যারা প্রবাসে থাকি তাদেরও কিছু দায়বদ্ধতা আছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, কোনো ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানীর দেখা পেলে আমরা অনেকইে উর্দু বা হিন্দিতে বুলি আওড়াতে শুরু করি। ভুল কি শুদ্ধ হচ্ছে সেটাও ঠিকমত খেয়াল করি না। অথচ এর উল্টো অর্থাৎ একজন ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানী বাঙালির সাথে দেখা হলে নিজ ভাষা ছাড়া বাংলা তো দূরের কথা, ইংরেজিও বলে না। বিশেষ করে পাকিস্তানীদের মুখোমুখি হলে প্রথম কথাই হল, ‘কেয়া হাল হ্যায়?’ আমরা হিন্দি বা উর্দু জানি কিনা সেটার ধার ওরা ধারে না, যা আমার কাছে ভীষণ বিরক্তিকর মনে হয়। তাই আমি হিন্দি জানলেও ইংরেজিতে উত্তর দেই।
মধ্যপ্রাচ্যে এসে দেখলাম পরিস্থিতি আরও খারাপ। মধ্যপ্রাচ্যের অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্যে ভারতীয়দের দাপট অনস্বীকার্য। কিন্তু অবাক হই যখন দেখি, যেসব বাঙালি ইংরেজিতে কথা বলতে সক্ষম তারাও ভারতীয় সহকর্মীদের সাথে অফিসে ও বাইরে দেদার হিন্দ/উর্দুতে কথা বলছেন। কাতারের দোহা শহরের একটি বাংলাদেশী রেস্তরায় একদিন চা খেতে বসেছি। দেখলাম দু’জন মানুষ বাংলায় কথা বলতে বলতে আমার পাশের টেবিলে এসে বসলেন এবং বাঙালি হোটেল বয়কে হিন্দিতে খাবারের অর্ডার দিলেন। হোটেল বয় আমার সাথেও হিন্দি বলতে শুরু করলো। এভাবে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে বাঙলা ভাষাকে অবজ্ঞা করাটা সত্যিই পীড়াদায়ক। ভারতীয় ও পাকিস্তানীরা যেখানে নিজের ভাষায় কথা বলতে এতটুকু দ্বিধা করে না, সেখানে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বের সবচেয়ে মিষ্টি ভাষা হিসাবে বাংলা স্বীকৃতি পাবার পর, বাংলা ভাষায় কথা বলতে আমাদের লজ্জা পেতে হবে কেন?
একবার আবুধাবী থেকে ইতেহাদের ঢাকা ফ্লাইটে উঠে বসেছি। ককপিট থেকে ঘোষণায় বলা হল বিমানের যাত্রীসেবক/সেবিকারা হিন্দি, আরবি, ইংরেজি ও অন্যান্য বেশ ক’টি ভাষায় পারদর্শী। যাত্রীদের শতকরা ৯৯ ভাগ বাঙালি হলেও ওই ঘোষণায় বাঙলা ভাষার কোনো উল্লেখ ছিল না। একটু পরেই আমার পাশে বসা যাত্রীটি আমার সাথে হিন্দিতে কথা বলতে শুরু করলেন। কথা প্রসঙ্গে জানতে পারলাম তিনি বাঙালি। তাকে বিনয়ের সাথে হিন্দিতে কথা বলার কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, আমার চেহারা দেখতে নাকি তার ভারতীয় সহকর্মীদের মত, তাই তিনি হিন্দিতে কথা বলেছেন। দুঃখ পেলাম। মাতৃভাষা ছেড়ে অন্য ভাষার সাথে আমরা খুব সহজেই আপোষ করতে পারি বলেই হ তো ঢাকাগামী ইতেহাদ ফ্লাইটে বাঙলা জানা সেবক দেয়ার প্রয়োজন মনে করেনি বিমান কর্তৃপক্ষ।
অমাদের দেশের আয়োজকরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভারত থেকে নিয়ে আসছেন সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা, অভিনেত্রী। অথচ স্বদেশের সেরা শিল্পীদের জন্য দশ ভাগের একভাগও ব্যয় করতে চান না। একবার ঢাকা ফেরার পথে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আচম্কা দেখা মিলল সঙ্গীতশিল্পী বন্ধু কুমার বিশ্বজিতের সাথে। বিমানে অনেক কথাই হল, যার মধ্যে ছিল ঢাকায় শাহরুখ খানের একটি কনসার্টের কথা। বাংলাদেশী শিল্পীদের প্রতি আয়োজকদের অবজ্ঞার কথা বললো বিশ্বজিত। ওই অনুষ্ঠানে বিশ্বজিতের গান করার কথা ছিল। কিন্তু কনসার্টের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রীর ব্যবস্থা না করায় শেষ মুহূর্তে গান না করার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন বিশ্বজিত।
আজকের গ্লোবালাইজেশানের যুগে জিডিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে চলছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। আমাদের ভাষাভিত্তিক আলাদা জাতিসত্ত্বা রক্ষা করতে হলে হীনম্মন্যতা ঝেড়ে ফেলে এই অদৃশ্য ডিজিটাল শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। এই লড়াইয়ে একুশের সংগ্রামী চেতনা হতে পারে আমাদের পথপ্রদর্শক।
